প্রতিদিনের ডেস্ক:
ঈদের আনন্দ মানেই পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে বসে পছন্দের খাবার উপভোগ করা। আর এই উৎসবের টেবিলে মাটন বিরিয়ানি থাকলে যেন আনন্দে যোগ হয় বাড়তি স্বাদ। বাইরে থেকে অর্ডার নয়, এবার ঈদে ঘরেই সহজ উপায়ে বানিয়ে ফেলুন সুগন্ধি ও রসালো মাটন বিরিয়ানি। পরিবারের সবাইকে চমকে দিতে আজই শুরু করুন নিজের হাতে ঈদের বিশেষ রান্নার প্রস্তুতি। রইলো রেসিপি-মাটনের জন্য
৫০০ গ্রাম মাটন (টুকরো করা)
টক দই ১ কাপ
আদা-রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
মরিচগুঁড়ো ১ চা চামচ
হলুদগুঁড়ো আধ চা চামচ
গরমমসলা গুঁড়ো ১ চা চামচ
লবণ স্বাদমতো
সেমাই ২ কাপ
কাজু ৩ টেবিল চামচ
কিশমিশ ৩ টেবিল চামচ
বড় সাইজের পেঁয়াজ ২টি
টমেটো ২টি
কাঁচামরিচ ৪টি
ধনেপাতা (কুচোনো) ১ কাপের এক-চতুর্থাংশ
পুদিনাপাতা (কুচোনো) ১ কাপের এক-চতুর্থাংশ
গরম দুধে মেশানো আধ চা চামচ কেশর ২ টেবিল চামচ
পানি ৪ কাপ
ঘি বা তেল ৪ টেবিল চামচ
অন্যান্য মশলা
তেজপাতা ২টি
লবঙ্গ ৪টি
এলাচ ২টি
দারুচিনি ১ টুকরো
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে মাটনের সঙ্গে টক দই, আদা–রসুন বাটা, মরিচগুঁড়ো, হলুদ, গরম মসলা ও পরিমাণমলবণ দিয়ে মাখিয়ে ঢেকে রেখে দিন। সারারাত ম্যারিনেট করলে স্বাদ বেশি গভীর হবে, তবে সময় কম থাকলে অন্তত এক ঘণ্টা রেখে দিলেও চলবে। এরপর একটি বড় কড়াইয়ে তেল বা ঘি গরম করে নিন। তাতে সব গোটা মসলা দিয়ে সুগন্ধ বের হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। তারপর কুচি করা পেঁয়াজ দিয়ে নেড়ে নিন এবং হালকা বাদামি রং হলে ম্যারিনেট করা মাটন ঢেলে দিন। মাঝারি থেকে একটু বেশি আঁচে ৫ মিনিট নেড়ে মাংসের রং পরিবর্তন করুন। এরপর টমেটো দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে মাটন সেদ্ধ হতে দিন।এদিকে আলাদা একটি কড়াইয়ে সেমাই প্রস্তুত করে নিন। ঘি বা তেল গরম হলে সেমাই দিয়ে হালকা বাদামি রং আসা পর্যন্ত ভাজুন। তারপর প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে অতিরিক্ত পানি ছেঁকে আলাদা করে রাখুন।মাটন ও সেমাই তৈরি হয়ে গেলে বড় একটি হাঁড়ি বা পাত্রে বিরিয়ানির স্তর সাজানোর কাজ শুরু করুন। প্রথমে অর্ধেক সেমাই বিছিয়ে তার ওপর রান্না করা মাটনের অর্ধেক অংশ ছড়িয়ে দিন। এরপর পুদিনা পাতা, ধনেপাতা, ভাজা কাজু ও কিশমিশ ছিটিয়ে দিন। একইভাবে বাকি সেমাই ও মাটন দিয়ে দ্বিতীয় স্তর তৈরি করুন। সবশেষে উপরের স্তরে কেশর মেশানো দুধ ছড়িয়ে দিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ দমে রাখলেই পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে সুগন্ধি মাটন বিরিয়ানি।

