৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

আতঙ্কতি জনপদ কন্যাদাহ গ্রামে দেড় যুগ পর ৩ দিন ব্যাপি মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আনিছুর রহমান, বেনাপোল
নানা আয়োজনে দীর্ঘ ২০ বছর পর শার্শার আতঙ্ক জনপদ উলাশী ইউনিয়ন এর কন্যাদাহ গ্রামে এবার তিন দিন ব্যাপি মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এবং গ্রাম বাংলার নানা ধরনের খেলা ধুলায় অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে বিজয়ী প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করা হয়েছে। শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম শহীদের নেতৃত্বে তিন দিনব্যাপী এই ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার সব খেলাধুলা ও যেমন খুশি তেমন সাজের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।আনন্দঘন তিনি দিনের এই অনুষ্ঠানে স্থানীয়সহ শার্শা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার মধ্যে ছিল ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি লাঠি খেলা,হাডুডু,দড়ি টানাটানি,সাতার কাটা, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করেন ৪ টি শিা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সব বয়সের তরুণ তরুণী ও যুবকরা। তিনদিন ব্যাপী এ অনুষ্ঠান শেষে শনিবার (২৮ ) কন্যাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বিজয়ী প্রতিযোগিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করা হয়। স্থানীয়রা জানান, আমাদের কন্যাদহ গ্রামের কৃতি সন্তান ও গরিব দুঃখী মেহনতী মানুষের নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদ সরকারের পতনের পর তিনি এলাকায় আসলে আমাদের উলাশী ইউনিয়নে তার নিজ তহবিল থেকে ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন সেই সাথে এই ইউনিয়নের যুব সমাজকে রা করতে ঐতিহ্যবাহী গ্রাম বাংলার সব ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করেছেন। আরও বলেন, আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক গ্রামীণ খেলাধুলা আজ বিলুপ্তির পথে। এ ধরনের আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন করে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আমাদের অহংকার শহিদুল ইসলাম শহীদ। এ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আমাদের গ্রামে মানুষ নতুন করে আবারও আনন্দ ফিরে পেয়েছে তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শে “তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের মধ্যে রাখতে এবং তাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে আমরা এই ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।” তিনি বলেন ফ্যাসিবাদি আওয়ামী সরকারের আমলে আমরা কোন অনুষ্ঠান করতে পারিনি। এখানে যিনি আওয়ামী ঘরোনার হয়ে কাজ করেছেন তিনি ছিলেন এই জনপদের আতকের প্রতীক। সেই থেকে আমাদের কন্যাদাহ গ্রামকে মানুষ বাকা চোখে দেখত। আমরা আশা রাখি এই গ্রামকে একটি আধুনিক ও স্বনির্ভর গ্রাম হিসাবে আমরা গড়ে তুলব। যেখানে সকল ভেদাভেদ ভুলে মানুষ একসঙ্গে বসবাস করতে পারে। পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা ৯নং উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, শার্শা উপজেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শহীদ আলী, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম পিন্টু, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ হজরত আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব, আতর আলী, লিয়াকত আলী, যুবদল নেতা লাল্টু বিশ্বাসসহ বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়