প্রতিদিনের ডেস্ক:
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির রাশিয়া সফরের মাধ্যমে ইরান জোরালো বার্তা দিয়েছে যে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একা নয়। যুক্তরাষ্ট্র যে বিচ্ছিন্নতার চিত্র তুলে ধরে, বাস্তবতা ততটা কঠিন নয় বলে মনে করেন দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামেদ এলমাসরি। এলমাসরি বলেন, ইরানের এখনো মিত্র রয়েছে এবং তারা যে পুরোপুরি একঘরে হয়নি, তা দেখানোই ছিল এই সফরের লক্ষ্য। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে তিনি বলেন, এই সফর শুধু প্রতীকী কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না।
পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় তেল রপ্তানির বিকল্প স্থলপথ, সম্ভাব্য তেল সংরক্ষণসংকট এবং দর-কষাকষির শর্ত উঠে এসেছে। এমনকি একটি সম্ভাব্য চূড়ান্ত সমঝোতার বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে কথা হয়েছে। এ ছাড়া ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার ইঙ্গিত দেয়।
এলমাসরি বলেন, এই সফরকে ইরান কৌশলগতভাবে কাজে লাগাচ্ছে। একদিকে তারা দেখাতে চাইছে, তাদেরও শক্তিশালী বন্ধু ও মিত্র রয়েছে। অন্যদিকে, তাদের সর্বোচ্চ নেতা মুজতোবা খামেনি যে সুস্থভাবে বেঁচে আছেন, এ বার্তাও দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে তার প্রকৃত অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

