প্রতিদিনের ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল একটি বড় আইনি মামলার নিষ্পত্তি করতে মোট ২৫০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। অভিযোগ ছিল, কোম্পানিটি তাদের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ফিচার—বিশেষ করে ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ এবং উন্নত সিরি নিয়ে গ্রাহকদের কাছে এমন সক্ষমতার প্রচার করেছে, যা বাস্তবে তখনও চালু হয়নি বা কার্যকর ছিল না।মামলায় দাবি করা হয়, অ্যাপল এমন কিছু এআই ফিচারকে বিপ্লবী প্রযুক্তি হিসেবে তুলে ধরেছিল, যা ব্যবহারকারীরা আইফোন কেনার সময় প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু পরে অনেক ফিচারই পাওয়া যায়নি বা বিলম্বিত হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্রে একটি ক্লাস অ্যাকশন মামলা হয়।
কারা ক্ষতিপূরণ পাবেন?
এই সমঝোতা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাবেন যুক্তরাষ্ট্রের সেই সব গ্রাহক, যারা ২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে আইফোন ১৫ বা আইফোন ১৬ কিনেছেন। তারা প্রত্যেকে ২৫ থেকে ৯৫ ডলার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন, যা নির্ভর করবে আবেদন ও যোগ্যতার শর্তের ওপর।
কেন এই সমঝোতা?
অ্যাপল কোনও ভুল স্বীকার করেনি, তবে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে এই অর্থ দিতে রাজি হয়েছে। কোম্পানির মতে, বিষয়টি মূলত অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের কিছু নির্দিষ্ট ফিচারের প্রাপ্যতা ও প্রচারণা নিয়ে বিতর্ক থেকে সৃষ্টি হয়েছে।অ্যাপল জানিয়েছে, এই সমঝোতার মাধ্যমে তারা মামলা দীর্ঘায়িত না করে ভবিষ্যতের পণ্য ও সেবার উন্নয়নে মনোযোগ দিতে চায়।
মামলার মূল অভিযোগ কী ছিল?
আইনজীবীদের অভিযোগ ছিল, অ্যাপল এমন এআই ক্ষমতার কথা প্রচার করেছে যা— তখন বাস্তবে ছিল না, এখনও সম্পূর্ণভাবে চালু হয়নি এবং ভবিষ্যতেও সময় লাগতে পারেবিশেষ করে সিরি-কে ‘পূর্ণাঙ্গ এআই সহকারী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তবে সেই উন্নত সংস্করণ গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হয়নি বলে দাবি করা হয়।

