২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

সব জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়া হবে: জ্বালানিমন্ত্রী

প্রতিদিনের ডেস্ক:
শনিবার সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মুক্তির সোপানে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ফেডারেশন আয়োজিত ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু) বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।শনিবার সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মুক্তির সোপানে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ফেডারেশন আয়োজিত ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রে বসবাসকারী সবাই বাঙালি নয়। বাঙালি সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হলেও সাঁওতাল, ভূমিজ, ওরাওঁ, মুরাও, হাজং, চাকমা, মারমাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ এ দেশে বসবাস করে। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তখনকার নেতৃত্ব সবাইকে বাঙালি হয়ে যেতে বলেছিল। এর ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, যা এখনো বিরাজমান।মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, বাংলাদেশের মানচিত্রে যারা বসবাস করে তারা সবাই বাংলাদেশি। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ একটি বাগানের মতো, যেখানে নানা জাতিগোষ্ঠীর সহাবস্থান রয়েছে।ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে টুকু বলেন, জিয়াউর রহমান সব জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার ছেলে তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে সত্যিকারের নতুন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে।তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগণের উদ্দেশে বলেন, নিজস্ব সংস্কৃতি ধরে রেখে সন্তানদের লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আপনাদের অনেক সন্তান এখন সরকারের উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করছেন। তাই নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সিপন চন্দ্র সিং সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু প্রমুখ।অনুষ্ঠানে পাহাড়ি ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রায় ৪০টি জেলার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়