নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর পৌরসভার বকচরে অবস্থিত ১১৩ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ও ঈদগাহ মাঠ যৌথভাবে ব্যবহারের জন্য মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। রোববার (১৯ মে) সকাল ১১টার দিকে স্কুল মাঠে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয়রা বলেন- আমরা পৌরসভার ৩৯নং ওয়াড়ের বকচরের বাসিন্দা, বকচর ১১৩নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি মুড়লী-মনিহার সড়কের পার্শে অবস্থিত, স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্য পর্যন্ত স্কুলের মাঠ ও বকচর ঈদগাহের মাত্র যৌথ ভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে করে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের চলা ফেরা ও গেলা গুল্য পরিপূর্ণতা পায় ও বকচর বাসীর ঈদের ও জানাজার নামাজ পরিপূর্ণতা পায়। এই স্কুলে ২৪০ জন শিক্ষার্থী লেখাপাড়া করে কিন্তু স্কুলের জায়গা কম হওয়া সমাবেশ ও খেলাধুলা করতে হয় ঈদগাহ মাঠে। আবার এই মাঠেই বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুনামেন্ট খেলা হয়। তবে, প্রাচীর দিয়ে মাঠে দুই ভাগে বিভক্ত করতে চায় স্কুল কমিটি। আমার চাই স্কুল ও উদগাহ মাঠ এক প্রাচীরের মধ্যে রাখতে, তাতে স্কুলের জায়গা বাড়বে একই সাথে ছেলেমেয়েরা খেলাধুলার জায়গা পাবে। তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের উন্নতি হবে। গত রোজার মধ্যে যশোর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান স্থানীয় কাউন্সিলর ও এলাকা বাসীকে নিয়ে মিটিংয়ে বসে এতে ১০জনের একটি কমিটি করে দেয়া হয়। উক্ত কমিটিনরা ৮জনেই মাঠের মধ্যে দিয়ে প্রাচীর কারার বিপক্ষে আবস্থান নেই। স্কুলের মাঠের মধ্যে দিয়ে প্রাচীর করিলে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের চলাফেরা ও খেলাধুলার সম্ভাব হবে না। পাশাপাশি ঈদগাহের ঈদের ও জানাজায়ের নামাজের জায়গার জন্য সমস্যা হবে। স্কুলের সভাপতি অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে স্কুলের পেছনের জায়গা ছেড়ে দেয়। একারণে আজ আমরা গ্রামবাসি সবাই একত্রিত হয়ে মানববন্ধন করছি। আমাদের দাবি স্কুলের মাঠ ও ঈদগাহ মাঠ প্রাচীর দিয়ে বিভক্ত করা চলবে না। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ঈদগাহ কমিটির সভাপতি শাহাজান আলী, ঈদগাহ কমিটির সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদ পরাণ, ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর আজিজুল ইসলাম, স্কুলের সাবেক শিক্ষক সিরাজুল ইসলামসহ এলকাবাসী।

