২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

যুদ্ধবিরতি সংশোধিত প্রস্তাবে রাজি হামাস-ইসরায়েল

প্রতিদিনের ডেস্ক॥
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর আগ্রাসনে নির্বিচারে ফিলিস্তিনির গাজায় নিরীহ মানুষ হত্যার মহোৎসব চলছে। আর এই হত্যাযঞ্জের পেছনে ইসরায়েলি বাহিনীকে সহযোগিতা করছে পশ্চিমা বিশ্বের কিছু রাষ্ট্র। এতে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৯ মাসে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৪৫ জন ফিলিস্তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত চুক্তির একটি সংশোধিত প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে হামাস-ইসরায়েল। শনিবার (৬ জুলাই) হামাসের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চুক্তির একটি সংশোধিত প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে হামাস-ইসরায়েল। খবর রয়টার্স ও আলজাজিরার। রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে মধ্যস্থতাকারীরা একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ত্রাণ বিতরণ ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা দেবে। এই নিশ্চয়তা চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এই চুক্তিটিতে হামাস স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি থেকে সরে এসেছে। গোপন এক সূত্রের বরাতে এপি (অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস) জানিয়েছে, এই চুক্তির মধ্যে একটি ‘সম্পূর্ণ’ ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা কয়েকশ’ ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে নির্দিষ্টসংখ্যক ইসরায়েলি বন্দির মুক্তির বিষয় থাকবে। হামাস বলেছে, প্রথম ধাপে ছয় সপ্তাহের সমঝোতা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আলোচনার সুযোগ দিতে হবে।
শান্তি প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বলেছিলেন, প্রস্তাবটি ইসরায়েল গ্রহণ করলে একটি কাঠামো চুক্তি হতে পারে। এতে গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নয় মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে। এর আগে, হামাসের দাবিকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছিলো তেলআবিব। শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর এক মুখপাত্রের মন্তব্য জানার চেষ্টা করে রয়টার্স তবে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। গত শুক্রবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বলা হয়, আগামী সপ্তাহে আলোচনা চলবে এবং দুপক্ষের মধ্যে এখনো যে মতবিরোধ রয়েছে, তার ওপর আলোচনা করা হবে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়