হুমায়ন কবির মিরাজ,বাগআঁচড়া
যশোরের শার্শার ঠ্যাংঙ্গামারী বিলে জলাবদ্ধতায় হয় না আমন ফসল এবার ইরি ফসল ও না হওয়ার আশংকা শিরোনামে গত দু বার সংবাদ প্রকাশ হয় দৈনিক সমায়ের আলো পত্রিকায় পরে ওই বিল পরিদর্শনে আসেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকতারা। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার রুদ্রপুর-দাউদখালী ঠ্যাংঙ্গামারী বিল ও ইছামতি নদীর সামনে খালমুখে নির্মিত বাঁধ পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন। এ সময় দক্ষিণ অঞ্চলের মাখলা ঠেঙামারি ও গোমর বিলে জলাবদ্ধতায় জমে থাকা পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্কাশন করে এবারের ইরি ফসল করার ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় কৃষকরা। এসময় কৃষকরা খালের মুখের বাধ কেটে অথবা মোটরের সাহায্যে সেচের মাধ্যমে পানি নিস্কাসনের দাবি তোলেন। এ সময় কৃষকদের বিষয়টি লিখিতভাবে জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) নুসরাত ইয়াসমিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা, বাগআঁচড়া ইউনিয়নের উপ’সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুস, শার্শা থানা বিএনপির সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলামসহ বাগআঁচড়া, বসতপুর, কায়বা ভবানীপুর, দাউদখালী ও রুদ্রপুর গ্রামের পাঁচ শতাধিক কৃষক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সমবেত কৃষকরা দ্রুত পারি নিষ্কাশনের দাবী জানান।

