নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে চাঁদাবাজি মামলায় কাউন্সিলর টাক মিলন, সন্ত্রাসী ম্যানসেল ও ভুট্টোসহ ১২ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে কোতয়ালি থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তাপস কুমর আঢ্য। অভিযুক্ত আসামিরা হলো, শহরের পুরাতনকসবা কাজীপাড়ার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে কাউন্সিলর জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে টাক মিলন, ষষ্টিতলা রেলবাজার এলাকার ফরহাদুর রহমানের ছেলে মেহেবুবুল রহমান ম্যানসেল, কারবালার বামনপাড়ার মফিজুর রহমান মফিজের ছেলে মোকছেদুর রহমান ওরফে ভুট্টো ওরফে ল্যাংড়া ভুট্টো, নতুন খয়েরতলা পালবাড়ি মোড় এলাকার মৃত হাবিবুর রহমান হবি মন্ডলের ছেলে নান্নু জামান, নতুন খয়েরতলা গাজীরঘাট গ্রামের মৃত গাজী জুমাত আলীর ছেলে নওদাগা বিহারী কলোনির মোড় এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম রবি, কাজীপাড়া পুরাতনকসবার কাজী হায়দার আলীর ছেলে হায়াতুর রাজিব রনি, কাজীপাড়া গেলামপট্টির আবুল কাশেমের ছেলে সাগর, পুরাতনকসবা বিবি রোড এলাকার দাউদ মোল্লার ছেলে ফিরোজ, ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের বাসিন্দা মৃত নুরজ্জামানের ছেলে সাকিবুজ্জামান, চাঁচড়া রায়পাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মেজবা উদ্দিন, সদরের বাউলিয়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে ফরহাদ হোসেন ও ডাকাতিয়া মধ্যপাড়ার আশরাফুল আলমের ছেলে মাহাবুবুল আলম বিদুৎ। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি সদর উপজেলার মোবারককাটি গ্রামে একটি পুকুরসহ জমি ক্রয় করে মাছের ঘের বানিয়ে মাছচাষ করে আসছিলেন ফুলবাড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফা। আসামি জাহিদ হোসেন মিলনের নেতৃত্বে অন্যান্য আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসছিল আসামিরা। ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট আসামিরা মাছের ঘেরে যেয়ে চাঁদার টাকা দাবি করে। এদিনও চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাকে মারাপিট করে আসামিরা। এরপরও আসামিদের অব্যহত হুমকির কারনে তিনি একজনকে সাথে নিয়ে শহরের কাঁঠালতলায় যেয়ে আসামিদের ৫০ হাজার টাকা দিয়ে আসে। বাকি চাঁদার টাকার জন্য আসামিদের অব্যহত হুমকির কারনে তিনি বাধ্য হয়ে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ৭ জনের নামউল্লেখসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্তকালে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়ায় ওই ১২ জনকে অভিযুক্ত আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

