৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

ধীরগতির পিসি ঠিক করতে চার ফ্রি ভাইরাস রিমুভাল টুল

প্রতিদিনের ডেস্ক॥
কম্পিউটার বা পিসি দীর্ঘদিন ব্যবহার করার পর অনেক সময় ধীরগতির হয়ে যায়, হ্যাং বা অদ্ভুত আচরণ করে। এর অন্যতম প্রধান কারণ ভাইরাস। তবে এ নিয়ে ভয় পাওয়ার বা চিন্তার কিছু নেই। কিছু ভাইরাস রিমুভাল টুল ব্যবহার করে পিসিকে আবার আগের মতো সচল করা যাবে। চলুন জেনে নেয়া যাক এসব টুল সম্পর্কে—
ম্যালওয়্যারবাইটস
ম্যালওয়্যারবাইটস সফটওয়্যারটি ভাইরাস স্ক্যান ও রিমুভ করার দিক থেকে ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করেছে বহু আগেই। মাত্র কয়েক মিনিটেই ভাইরাস শনাক্ত করে সরিয়ে ফেলতে সক্ষম এ সফটওয়্যার। ম্যালওয়্যারবাইটসের ফ্রি সংস্করণেই পাওয়া যায় ম্যালওয়্যার প্রটেকশন ও ব্রাউজার সুরক্ষা। চাইলে প্রিমিয়াম সংস্করণেও আপগ্রেড করা যায়, যেখানে আরো উন্নত নিরাপত্তা ফিচার রয়েছে।
উইন্ডোজ সিকিউরিটি
উইন্ডোজ ১০ ও ১১-তে বিল্ট-ইন অবস্থায় থাকা উইন্ডোজ সিরিউরিটি অনেক সময়ই যথেষ্ট কার্যকরী হয়ে ওঠে। এতে রয়েছে ফায়ারওয়াল, ভাইরাস প্রটেকশন, রিয়েলটাইম স্ক্যানিং ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে ভাইরাস ও থ্রেট প্রোটেকশন > স্ক্যান অপশনস চালু করলেই হবে। তবে কুইক স্ক্যান না করে ফুল স্ক্যান করা উচিত, বিশেষ করে যখন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় না। আরো ভালো ফলাফল পেতে মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার অফলাইন স্ক্যান করা যায়।
সিক্লিনার
সিক্লিনার সরাসরি ভাইরাস রিমুভ করে না, তবে এটি অপ্রয়োজনীয় ফাইল, টেম্প ফাইল এবং অব্যবহৃত সফটওয়্যার সরাতে দারুণ কার্যকর। ভাইরাস রিমুভাল সফটওয়্যারের পর এ টুল ব্যবহার করলে কম্পিউটার আরো দ্রুত ও পরিষ্কারভাবে কাজ করে। উইন্ডোজে বিল্ট-ইন ফিচারের তুলনায় সিক্লিনার একটি জায়গা থেকেই সবকিছু পরিচালনা করার সুবিধা দেয়। বিশেষ করে বাল্ক সফটওয়্যার আনইনস্টল করার ক্ষেত্রে।
ভাইরাসটোটাল
ভাইরাসটোটাল একটি অনলাইন টুল, যা ফাইল বা ইউআরএল স্ক্যান করে ভাইরাস শনাক্ত করে। যদি কোনো ফাইল বা লিংক নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে সেটি এ ওয়েবসাইটে আপলোড করলেই জানা যাবে সেটা নিরাপদ কিনা। বিশেষ করে ছোটদের জন্য এটি কার্যকর, যারা মাঝে মাঝে মড ফাইল বা গেম ডাউনলোড করে, যেগুলোর মাধ্যমে ভাইরাস আসতে পারে।
উপরোক্ত কাজগুলো করার পরও যদি মনে হয়, পিসি ঠিকমতো কাজ করছে না তাহলে ধরে নিতে হবে হার্ডওয়্যারের সমস্যা। কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্ষেত্রে উইন্ডোজের ফ্যাক্টরি রিসেট করা যায়। এছাড়া নতুন এসএসডি লাগালে, র‍্যাম বাড়ালে হয়তো সমস্যার সমাধান হতে পারে।
ভাইরাস রিমুভাল টুলগুলো কম্পিউটারকে একেবারে নতুনের মতো করতে না পারলেও এর গতি ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ ভাইরাস সবসময় চোখে পড়ে না। তাই আগে থেকে প্রস্তুত থাকা ভালো।
—মেকইউজঅব অবলম্বনে

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়