২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

কেশবপুরে কাকিলাখালি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

মাসুম বিল্লাহ, কেশবপুর
গত আওয়ামী লীগ আমলের দাপটশালী নেতা হাসানপুর ইউনিয়নের ৪নং হাসানপুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহসভাপতির পদধারী এক শিক্ষকের বিরুদ্বে তারই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ফুসে উঠেছেন। তারা ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক কেশবপুর উপজলার কাকিলাখালী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আওয়ামীলীগ নেতা কামাল হোসেনের দূর্নীতি অনিয়মের ফিরিস্তি ফাঁস করছেন। ইতিপূর্বে ওই কামাল হোসেনের বিরুদ্বে উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট দায়ের করা নানা অনিয়ম ও দূর্নীতি অর্থ আতসাতের অভিযোগের বিষয় উপজলা শিক্ষা অফিসার উভয় পক্ষকে তদন্তের জন্য গত ২৩ জুন কেশবপুর তার অফিস কক্ষে ডেকে ছিলেন। প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট থেকে সময় নিয়ে ওইদিন উপস্থিত না হওয়ায় তদন্ত কার্য্যক্রম হয়নি বলেে শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়। উপজলার কাকিলাখালী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কামাল হাসান ১৯/১২/২২ তারিখ নিয়োগ পান। ২১/১২/২২ তারিখ তিনি অত্র প্রতিষ্ঠানর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। এই শিক্ষক ১৫/১২/২২ তারিখ তার পূর্বের ভালুকঘর বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থক পদত্যাগ করেন বলে তার নিয়োগ প্রার্থী হিসাবে আবেদনের সাথে ওই পদত্যাগ পত্র জমাদেন। এদিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক বিধি মোতাবেক তিন বছর চাকুরীর বয়স পূর্ন না হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পাবেননা বলে আইন থাকলেও তিনি একজন ওই সময়কার ক্ষমতাশীন দলের নেতা হওয়ায় তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চাকুরীর বয়স তিনবছর পূর্ন হতে এক বছর বাকী থাকলেও তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে এপ্রিল‘২০২৫ থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবৈধ ভাবে বেতন ভাতা গ্রহন করেন । সূত্র জানায়, সহকারী শিক্ষক থাকা প্রধান শিক্ষক এর নিয়াগ বোর্ড কবে হলো বা কিভাবে হলো সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ষ্ট্যাফ সহ এলাকাবাসীর অজানা। এদিক সূত্র জানায় ওই বিদ্যালয়ের ওই সময়কার প্রধান শিক্ষক হিসেবে রুহুল কুদ্দুস এর নাম মার্চ‘২০২৫ কর্তন করা হয়। রুহুল কুদ্দুস দায়িত্বে থেকে অব্যহতি নেয়ার পর ওই পদের জন্য নূতন শিক্ষক নিয়াগ কার্য্যক্রম শুরু করার কথা। অথচ এ নিয়ম না মেনেই তিনি কিভাবে প্রধান শিক্ষক হলেন সেটা সকলকে হতবাক করেছে। এলাকাবাসীর অভিমত একেই বলে ক্ষমতার দাপট। আওয়ামীলীগ আমলে তিনি তার বিদ্যালয়ের বিএনপি জামায়াত সমর্থীত শিক্ষকদের সাথে অমানুষিক আচরন করেছেন। সকলে তার এ আচরনে মুখবুজে হজম করেছেন বলে একাধীক শিক্ষক জানান।এব্যপার জানতে চাইলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন জানান, এনিয়ে আমার কোন বক্তব্য নাই । আপনাদের যা মন চাই লিখতে পারেন।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়