আনিছুর রহমান, বেনাপোল
প্রতিদিনের কথায় বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতার সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়েছে কতৃপক্ষের। টানা বর্ষনে বেনাপোলে স্থলবন্দ আমদানি পণ্য শেডে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ব্যবসায়িরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় এসব পণ্য নিয়ে ঝুকিতে রয়েছে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আমদানি কারকরা। এ বিষয় নিয়ে প্রতিদিনের কথায় বেনাপোল বন্দরে জলাব্ধতায় সৃষ্টি হচ্ছে পণ্য খালাসে শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী নাজিফ হাসান বন্দর পরিদর্শন করেছেন এবং পানি নিস্কাশন এর জন্য ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি তৈরী করেছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার সময় শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী নাজিব হাসান স্থলবন্দরের শেডগুলি পরিদর্শন করে দ্রুত পানি অপসারণের ব্যবস্থা নেন। গত কয়েকদিনে বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ পানি অপসারন করতে পারছিলেন না। যার ফলে শেডের মধ্যে পানি ঢুকে আমদানি পণ্য ডুবে যায়। পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দ্রুত পানি অপসারনের ব্যবস্থা গ্রহন করেন। তিনি তার উপজেলা প্রশাসন ও বেনাপোল পৌরসভার উদ্যেগে স্থল বন্দর বেনাপোলের পানি নিস্কাশন করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে এনেছেন।
বেনাপোল স্থল বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সাধারন সম্পাদক শহীদ আলী বলেন, গত দুই দিন যাবৎ শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ মিলে পানি অপসারণের চেষ্টা করছেন। সেই সাথে বুধবার উপজেলা প্রশাসন ও বেনাপোল পৌরসভা যৌথ ভাবে উদ্যেগ নেওয়ায় পানি অপসারিত হয়েছে। বন্দরের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। এখনো কাজ চলছে ব্রিজের নীচে দিয়ে পানি দ্রুত চলে যাবে বলে আমরা আশাবাদী। শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী নাবিল হাসান প্রতিদিনের কথাকে বলেন, আমি উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমিকে পানি নিস্কাশন এর জন্য স্থল বন্দরে দায়িত্ব দিয়েছি। কাজ চলছে আশা রাখি পানি বন্দরের শেড থেকে সবটুকু অপসারন হবে। এখনো কাজ চলছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন আগে কি অবস্থা ছিল বর্তমানে কি অবস্থায় আছে। তবে পানি নিস্কাশন নিয়ে ৬ সদস্যর একটি কমিটি গঠণ করা হয়েছে। এ কমিটির সভাপতি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বেনাপোল পৌরসভা, সদস্য কাস্টমস কমিশনার বেনাপোল, পরিচালক বেনাপোল স্থল বন্দর, বেনাপোল রেলওয়ের বেনাপোল স্টেশন মাস্টার, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি সভাপতির মনোনিত একজন ও নির্বাহী প্রকৌশলী বেনাপোল পৌরসভা। বুধবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পানি নিস্কাশনের কাজ চলছিল।

