৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

বিশ্বকাপের মঞ্চে নোরার ‘সির সির’ গান ইতিমধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, অনুপ্রেরণা পেয়েছেন কোথা থেকে?

প্রতিদিনের ডেস্ক:
কলম্বিয়ার পপতারকা শাকিরার গান, নাচ এবং নাইজেরিয়ার পপতারকা বার্না বয়ের গান ও কানাডায় নোরার নাচ ও গানে জমকালো হয়ে রইল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার সুযোগ পেয়েছেন বলিউড তারকা নোরা ফতেহি। এমন সুযোগকে নিজের কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বলে মনে করছেন নোরা । বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রীড়া আসরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পারফর্ম করা যে তাঁকে শিল্পী হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করেছে, তা স্বীকার করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকে কাঠি পড়ল বিশ্বকাপের। কলম্বিয়ার পপতারকা শাকিরার গান, নাচ এবং নাইজেরিয়ার পপতারকা বার্না বয়ের গান ও কানাডায় নোরার নাচ ও গানে জমকালো হয়ে রইল অনুষ্ঠান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোরা ‘সির সির’ গানটি গেয়েছেন। যার অর্থ হচ্ছে এগিয়ে চলা। তবে তাঁর এই গানের অনুপ্রেরণা নোরা পেয়েছেন আফ্রিকার মরোক্কোয় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে। নোরার কথায়, ‘‘ওই ম্যাচগুলোর সময় আমি স্টেডিয়ামে প্রায় প্রতিটি খেলাতেই দেখতাম ৭০ হাজার দর্শককে ‘সির সির’ স্লোগান দিতে। এই স্লোগানে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। এর পরেই আমাকে আমার প্রযোজক সঞ্জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং এই স্লোগানটি ব্যবহার করে একটি বিশ্বকাপ সঙ্গীত তৈরি করতে অনুরোধ করেছিলাম তাঁকে।”
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নোরা জানান, বিশ্বকাপে এমন অভিজ্ঞতা তাঁর শিল্পীসত্তাকে নতুন ভাবে গড়ে তুলেছে। একই মঞ্চে শাকিরা, বার্না বয়, কেটি পেরির মতো আন্তর্জাতিক তারকার সঙ্গে নাম উচ্চারিত তাঁর। এটা গর্বের বিষয়। তিনি এই জায়গা পৌঁছোতে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন বলেই জানিয়েছেন নোরা।
শেষে অভিনেত্রীর সংযোজন, “যখন বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্নধর্মী সুর এবং শিল্পচর্চা এক জায়গায় মিলিত হয়, তখনই বোঝা যায় মানুষের মধ্যে সংযোগ গড়ে তুলতে সঙ্গীত কতটা শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। শাকিরা, বার্না বয় বা এমন কোনও শিল্পী, যাঁদের সৃজনশীল ভাবনা একে অপরের সঙ্গে মেলে, তাঁদের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেই প্রকৃত জাদু তৈরি হয়। কারণ ভিন্ন ভিন্ন জগত একসঙ্গে এসে যখন নতুন কিছু সৃষ্টি করে, তখনই জন্ম নেয় অপ্রত্যাশিত এবং স্মরণীয় মুহূর্তের।”

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়