শামিম হোসেন, কুয়াদা
যশোর সদরের রামনগরের ভাটপাড়ায় জমির মালিকানা দাবিতে স্কুল মাঠে বেঁড়া ঘেরার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৩জুলাই) বর্ণিত জমির মালিকানা দাবি পূর্বক দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঝ দিয়ে এ বেঁড়া ঘেরার ঘটনা ঘটে। সুত্রমতে, উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে স্থাপিত হয়। সে সময়ে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার স্বার্থে ভাটপাড়া গ্রামের মৃত হাজারী লাল সরকারের ছেলে মৃত রবিন্দ্রনাথ সরকার ও নারায়ণ চন্দ্র সরকার দু;ভাই মিলে প্রতিষ্ঠানের নামে ১৭+১৬ মোট= ৩৩ শতাংশ জমি দান করেন।কিন্তু ভাটপাড়া মোজার ৯৮১এবং ৯৮২ মোট দুই দাগে ৩৩শতাংশ জমি দান পূর্বক একই মোজার ৯৮০ দাগের জমিতে স্কুলের ভবন নির্মাণ করা হয়। বর্ণিত জমির পরিবর্তে অন্যত্রে জমি দেবার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকার অদ্যবর্দী সেটি করেননি। বরং সেইহতে প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকার শরিকের জমির মালিকদের ছলচাতুরির মাধ্যমে ঘোরাতে থাকেন।এমনিকি স্কুলের নামে জমিরেষ্ট্রি হলেও আজও নামপওন হয়নি। তাছাড়া স্কুলের জমির অংশ মাঠের মধ্যে বলে জানা গেছে। এদিকে উপায়ান্ত না পেয়ে অর্নীল সরকারের ছেলে দিপংকার সরকার ও সুশান্ত সরকার দুইভাই মিলে প্রাপ্য জমির জন্য স্কুলের মাঠের মাঝ দিয়ে বেঁড়া ঘেরেন বলে জানান।এছাড়া প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকার আর মাএ দুই বছর পর অবসরে যাবেন। তিনি দুই বছর পর জমির মিমাংসা করবেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান। অপরদিকে শিক্ষকর্তার জীবনে প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে নানা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আজ পর্যন্ত কোন কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি। ঘটনায় প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকারের মুটোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। এবিষয়ে সদর উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) তৌহিদুর রহমানে সঙ্গে স্কুল মাঠে বেঁড়া ঘেরা সংক্রান্তে জানতে চাইলে তিনি জানেন না। তবে বিষয়টি জেনে সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্হা গ্রহন করবেন মর্মে জানিয়েছেন।
