নিজস্ব প্রতিবেদক
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের যশোর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পলাতক কাজী নাবিল আহমেদের ছোট ভাই ও তৎকালীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদকে যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি থেকে অপসারণ করেছে যশোরের ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা।একইসাথে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব খালিদ জাহাঙ্গীর, সদস্য এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন ও বুরহান উদ্দিনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে আগামীতে কোনো কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত না করার দাবি জানানো হয়েছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ক্ষুব্ধ ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক মো. আজাহারুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ দাবি জানান।
জেলা ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাহতাব নাসির পলাশ অভিযোগ করেন, “সদস্য সচিব খালিদ জাহাঙ্গীর নিজেই দুর্নীতিতে জড়িত। তার মিথ্যাচার ও অনৈতিক সহযোগিতার কারণে এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন ও বুরহান উদ্দিনকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ বুরহান উদ্দিন ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট নন। অন্যদিকে বর্তমান খেলোয়াড় হয়েও মামুনকে কোচ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, যা অনৈতিক।” তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তির বিপক্ষে নই, অনিয়ম-অনৈতিকতার বিপক্ষে। যশোরের ক্রীড়াঙ্গণকে সচল রাখতে অনৈতিক ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া জরুরি। অন্যথায় আমরা অসহযোগিতায় যেতে বাধ্য হবো।” এসময় সাবেক ক্রিকেটার খান মো. শফিক রতন, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, মোস্তাক নাসির টনি, সোহেল মাসুদ হাসান টিটো, এম এ আকসাদ সিদ্দিকী শৈবাল, সাবেক ফুটবলার কাজী জামাল, হালিম রেজা, সোনালী অতীত ক্লাব যশোরের সভাপতি এ বি এম আখতারুজ্জামান, ক্রীড়া সংগঠক এজাজ উদ্দিন টিপুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক খেলোয়াড়-সংগঠকদের দাবি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বিষয়গুলো আমলে নিয়ে যশোরের ক্রীড়াঙ্গণকে সবার সহযোগিতায় সচল রাখার আশ্বাস দেন।
