প্রতিদিনের ডেস্ক:
আগামীকাল রোববার খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে খেজুরের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।তিনি বলেন, ‘বস্তায় আসা জায়েদি খেজুরের দাম আগামীকাল নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। আশা করছি এরপর দাম কমে আসবে। এ সপ্তাহ থেকে সর্বোচ্চ খুচরা ও পাইকারি মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হবে, এতে দাম কমে আসবে।’ শনিবার (২ মার্চ) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে ‘অ্যাসোসিয়েশন অব গ্রাসরুট উইমেন এন্টারপ্রেনার্স বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের সমস্যা নিরসন করে দেবো, কিন্তু কোনো অজুহাত শুনবো না। যৌক্তিক কারণ ছাড়া রমজানে কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেরিতে ছাড়ের সুযোগ নেই। আমাদের টার্গেট শুধু রমজান নয়, রমজান মাসের পরও নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কোনো ব্যবসায়ী বা গোষ্ঠীর হাতে সাধারণ মানুষ জিম্মি থাকবে না। এক কোটি মানুষ টিসিবির তেল-চিনিসহ কয়েকটি নিত্যপণ্য ভর্তুকি মূল্যে পাবে।’তিনি বলেন, ‘আমাদের টার্গেট রমজানে যেন ভোক্তাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে না হয়। তেলে ভ্যাট-ট্যাক্স কমানোর চিঠি দিয়েছি যার প্রভাব রমজানে পড়বে। খেজুর প্রায় ১০ ধরনের রয়েছে। ব্যবসায়ীদের একমাস সময় দিয়েছি দাম কমানোর।’ শুক্রবার থেকে ভোজ্যতেলের মনিটরিং শুরু হয়েছে জানিয়ে আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘আজ সকাল থেকেও সব মিলগেটে টিমগুলো মনিটরিংয়ে আছে। ট্যারিফ কমানোর পরে কত মাল তারা আমদানি করেছে এবং তাদের বাফারস্টোক তৈরির জন্য যে সময় দেওয়া হয় তা কতটা কাজে লাগিয়েছে সে বিষয়ে এরই মধ্যে তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি আগামীকাল থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬৩ টাকায় বিক্রি হবে। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়।’

