রাজগঞ্জ প্রতিনিধি
গত দুইদিন ধরে যশোরের মনিরামপুরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীত বাড়ায় মার্কেট ও ফুটপাতে পড়েছে শীতবস্ত্র কেনার ধুম। উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা বিভিন্ন বড় বড় শপিং মল বিপণী বিতান ছুটলেও নিম্নবিত্তদের একমাত্র ঠিকানা ফুটপাত। ফুটপাতগুলোতে ইতোমধ্যে শীতের কাপড়ের পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। পরিবার পরিজন নিয়ে এসব কাপড় কিনতে ছুটছেন বিভিন্ন বয়সীরা। ব্যবসায়ী এনেয়াত আলী খান রনি জানান, শীত মৌসুম শুধুমাত্র ১৫ লাখ টাকার বেচাকেনার টার্গেট রয়েছে। তবে গত কয়েক মৌসুমে সেভাবে শীত না আসায় ব্যবসায়ীদের অনেক শীতবস্ত্র অবিক্রিত থেকে যায়। কিন্তু এ বছরই ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজগঞ্জ বাজার বটতলা মোড় দেখা গেছে, ভ্রাম্যমাণ ভ্যানগাড়িতে বাহারি শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতা। শীতে একটু উষ্ণতার খোঁজে এসব পোশাক কিনছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। ক্রেতারা খুটিয়ে খুটিয়ে শীতবস্ত্র দেখছেন। পছন্দ এবং দরদামে মিললে হাসিমুখে বাড়ির পথ ধরছেন। এমনই একজন ক্রেতা কামরুল ইসলাম তিনি বলেন, আমাদের দেশে স্থানীয় গার্মেন্টস কারখানা থেকে প্রচুর পরিমাণে জ্যাকেট-সুয়েটার আসে। এছাড়া কোরিয়া-তাইওয়ান থেকে বিদেশী পুরনো শীতের কাপড়ও আসে। এসব কাপড় ভ্যানগাড়িতে কম মূল্যে পাওয়া যায়। তাই এখানে কিনতে এসেছি। তিনি আরও জানান, বাচ্চাদেরও জন্য শীতের কাপড় কিনতে এসেছি। ফুটপাতে এত এত ভালো কালেকশন থাকে, জানা ছিল না। এছাড়া দেশের বাইরেরও বেশ কিছু শীতবস্ত্রও নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে মার্কেটে ক্রেতারা দেখে শুনে পছন্দের কাপড় কিনতে পারছেন। শুধু যে মধ্যবিত্তরা আসেন তা কিন্তু নয়। অনেক উচ্চবিত্তদেরও দেখা যায়, এসে কেনাকাটা করছেন। এছাড়া মার্কেটের আশপাশে বিশেষ ফুটপাতগুলোতেও রয়েছে বাহারি শীতকালীন কাপড়ের সমাহার। নিম্নবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষ সেইসব জায়গা থেকে কেনাকাটা করছেন। হোসেন আলী জানান, শীতের তীব্রতা গত দুইদিনে খুব বেড়েছে। তাই শীতের কাপড় কিনতে এসেছি। কাপড়ের দামও আগের বছরগুলোর তুলনায় একটু বেশি।

