প্রতিদিনের ডেস্ক
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির পূর্ব উপকূলের কাছে একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে বুধবার দীর্ঘপাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এ তথ্য জানায়।কেসিএনএ জানায়, নতুন ধরনের উচ্চ-উচ্চতার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের জন্য দেশের কৌশলগত প্রযুক্তি মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে এই পরীক্ষা চালানো হয়। পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ২০০ কিলোমিটার (১২৪ মাইল) দূরে আকাশে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম হয়।
এ ছাড়া কিম জং উন আলাদা একটি স্থানে নির্মাণাধীন ৮ হাজার ৭০০ টন ওজনের একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের কাজও পরিদর্শন করেন বলে কেসিএনএ জানিয়েছে। এই সাবমেরিনটি ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সক্ষম হবে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে তার এই সফরের স্থান ও তারিখ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এই সাবমেরিন প্রকল্পটি উত্তর কোরিয়ার শাসক দলের নৌবাহিনী আধুনিকায়নের উদ্যোগের অংশ।দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে দলটি যে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নীতির ওপর কাজ করছে, তার অন্যতম হলো নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন।কিম জং উনের উদ্ধৃতি দিয়ে কেসিএনএ জানায়, পারমাণবিক সক্ষমতার সর্বাত্মক উন্নয়ন এবং নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ অপরিহার্য ও অনিবার্য, কারণ বর্তমান বিশ্ব কোনোভাবেই শান্তিপূর্ণ নয়।তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন উন্নয়নের পরিকল্পনা কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা আরো বাড়াবে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া তার জন্য জরুরি হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন কিম।আরেকটি প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ১৮ ডিসেম্বর উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের কাছে নববর্ষ উপলক্ষে একটি বার্তা পাঠিয়েছেন। কেসিএনএর বরাতে বলা হয়, পুতিন তার বার্তায় উল্লেখ করেন, ২০২৫ সাল মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যকার সম্পর্কের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর বছর হতে যাচ্ছে।
সূত্র : রয়টার্স

