সোহেল আহমেদ, কালিগঞ্জ
ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মহেশ্বর চাঁদা গ্রামের আব্দুল আলীমের স্ত্রী শিলা খাতুন গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই পক্ষের সাথে কথা কাটাকাটি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির মতো ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় মহেশ্বর চাঁদা গ্রামের আব্দুল আলীমের স্ত্রী শিলা খাতুন ঘরের মধ্যে গলায় কাপড় পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। খবর মেয়ে পক্ষ হাসপাতালে ছুটে আসে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ধাক্কাধাক্কির মত ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন এবং থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। পুলিশ ওই রাতেই লাশ থানাতে নিয়ে যায় এবং শুক্রবার সকাল নটার সময় ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহের মর্গে পাঠান। শিলা খাতুনের মা হাসপাতালে কান্না জনিত কন্ঠে বলেন যৌতুকের জন্য বিয়ের পর থেকেই আলিম তার মেয়ে উপর প্রায় দিনই নির্যাতন করতো। শিলা কে মেরে ফেলে গলায় রশি দিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে। শিলা খাতুন আত্মহত্যা করেনি। সে প্রশাসনের কাছে তার মেয়ে হত্যার বিচার চায়। এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জেল্লাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান ঘটনাটি শোনার পরপরই তিনি নিজে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছিয়ে গোলযোগ নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ মরগে লাশ পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

