১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

আবারও পুরোনো বেশ কিছু ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ

প্রতিদিনের ডেস্ক:
স্মার্টফোন এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, অনেকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর সেই স্মার্টফোনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম হোয়াটসঅ্যাপ। তবে পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য এবার আসছে খারাপ খবর। খুব শিগগিরই কিছু পুরোনো স্মার্টফোনে কাজ করা বন্ধ করে দেবে জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপ।প্রযুক্তি যত এগোচ্ছে, ততই নতুন ফিচার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং উন্নত পারফরম্যান্স যোগ হচ্ছে বিভিন্ন অ্যাপে। সেই সঙ্গে আপডেট হচ্ছে স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেমও। কিন্তু সব ফোন দীর্ঘদিন পর্যন্ত নতুন সফটওয়্যার আপডেট সমর্থন করতে পারে না। বিশেষ করে পুরোনো প্রসেসর ও সীমিত হার্ডওয়্যারের কারণে একসময় নতুন সংস্করণের অ্যাপ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। এই কারণেই নির্দিষ্ট সময় পর পুরোনো ডিভাইসের জন্য সাপোর্ট বন্ধ করে দেয় অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।জানা গেছে, যেসব ফোন এখনো অ্যান্ড্রয়েড ৫ বা তার আগের সংস্করণে চলছে, সেগুলোতে আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এসব ডিভাইসে অ্যাপটি ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ মেসেজ পাঠানো, কল করা কিংবা নতুন আপডেট ইনস্টল কোনোটিই আর ঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে।এই পরিবর্তনের মূল কারণ নিরাপত্তা। পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমে আধুনিক নিরাপত্তা ফিচার না থাকায় ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষিত রাখা কঠিন হয়ে যায়। পাশাপাশি নতুন ফিচার যোগ করতেও সমস্যায় পড়ে অ্যাপ নির্মাতারা। তাই নিয়মিত আপডেট সমর্থন করতে পারে এমন ডিভাইসেই এখন গুরুত্ব দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।তবে যাদের ফোন এখনো পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে চলছে, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। হাতে এখনও কিছুটা সময় রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আগেভাগে সব চ্যাট, ছবি, ভিডিও ও প্রয়োজনীয় নথির ব্যাকআপ নিয়ে রাখা। কারণ সাপোর্ট বন্ধ হয়ে গেলে অনেক তথ্য হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।ফোন বদলানোর পরিকল্পনা থাকলে নতুন ডিভাইস কেনার আগে অন্তত সাম্প্রতিক অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ সমর্থন করে কি না, সেটি দেখে নেওয়া উচিত। কারণ শুধু হোয়াটসঅ্যাপ নয়, ভবিষ্যতে আরও অনেক অ্যাপই পুরোনো সফটওয়্যার সমর্থন বন্ধ করতে পারে।

Previous article
Next article
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে প্রতিদিনের ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মাঠ পর্যায়ে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সিলেট অঞ্চলে পাথর আহরণ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, সরকারি পর্যায়ে আমাদের একটা নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে যে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের কাজে মাঠে রাখতে পারবো না। নির্বাচিত সরকার, রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। আমরা পুলিশবাহিনীকে একটা সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফেরত নিয়ে আসতে পেরেছি বলে আমাদের এখন বিশ্বাস জন্মেছে, জনমনেও বিশ্বাস জন্মেছে।তিনি বলেন, সেই অবস্থায় আমরা পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহারের জন্য উদ্যোগ নিচ্ছি এ কথা সত্য। তবে, সেটা আমরা কীভাবে করবো, পুলিশ সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সংস্থাগুলো বসে তারা পর্যায়ক্রমে সেই ব্যবস্থা নেবে। কোটা সংস্কার আন্দোলন চরম আকার ধারণ করলে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কারফিউ জারি করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার। আন্দোলন ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে অনেক পুলিশ সদস্যও হতাহত হন। পুড়িয়ে দেওয়া হয় থানা, লুট করা হয় অস্ত্র। ৫ আগস্টের পর থানা ছেড়ে কর্মবিরতিতে যায় সারাদেশের পুলিশ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে। ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর কমিশন্ড অফিসারদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কমিশন্ড অফিসার (সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও এর ওপরের সমপদমর্যাদার কর্মকর্তা) এ ক্ষমতা দেওয়া হয়। অর্থাৎ শুধু সেনাবাহিনী নয় বিমান ও নৌবাহিনীর কমিশন্ড অফিসারদেরও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়। তখন ৬০ দিনের জন্য এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। পরে দফায় দফায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়ার মেয়াদ বাড়ানো হয়।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়