নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতারণার দায়ে আলাদা দুই মামলার দুই আসামীকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছে যশোরের একটি আদালত। সাজা প্রাপ্ত আসামিরা হলো ঝিকরগাছার ইস্তা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে রাজা ব্রিক্সের মালিক আল মামুন রাজা ও মাগুরা শালিখা বুনাগাতির নজরুল ইসলামের ছেলে মাহমুদ বিশ্বস।বুধবার (১ জুলাই) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা আলাদা রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন। ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রথম মামলার বাদী অভয়নগর উপজেলার ইটভাটা ব্যবসায়ী মো. নওয়াব আলী। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, আসামি মো. আল মামুন রাজা দীর্ঘদিনের পরিচিত হওয়ায় তার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল ব্যবসায়ী নওয়াব আলীর। ২০২২ সালের ২০ জুন ইটভাটার জন্য কয়লা কেনার চুক্তিপত্র করে ব্যবসায়ী নোয়াবাড়ির কাজ থাকে ২০ লাখ টাকার কয়লা পোড়াই করেন আল মামুন। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ৩০ জুনের মধ্যে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা পরিশোধ না করে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। টাকা আদায়ের ব্যর্থ হয়ে ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর আদালতের মামলা করেন নওয়াব আলী। এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অসমী আল মামুন রাজার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে দুই বছর পরছিলাম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাথের দশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে আদেশ দিয়েছেন বিচারক। অপর মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি মাহামুদ বিশ্বাস কিস্তিতে যশোর শহরের রেল রোডে টিভিএস উইং থেকে একটি টিভিএস মোটরসাইকেল কিস্তিতে ক্রয় করেন। কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় তার কাছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯শ’ টাকা পাওনা হয়। বারবার তাগাদা দেয়া শর্তেও পাওনা টাকা পরিষদে ব্যর্থ হওয়ায় আজগার আলী বাদী হয়ে প্রতারণার অভিযোগে ২০২৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আদালতে এ মামলা করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী মাহমুদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায় এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
