নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রেমের ফাঁদে ফেলে মালয়েশিয়া প্রবসী এক যুবকের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে মা-মেয়েসহ তিন জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার ওই প্রবাসীর ফুফাতো ভাই যশোরের চৌগাছার সলুয়া গ্রামের মশিয়ার রহমানের ছেলে আজিজুর বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া অভিযোগের তদন্ত করে সিআইডিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল নোমান। আসািমরা হলো যশোর সদরের ভেকুটিয়া গ্রামের আব্দুল কাদের মোল্যার স্ত্রী ফরিদা বেগম ও মেয়ে সুমাইয়া আক্তার রিয়া এবং ঢাকা তুরাগ উত্তরের হরিরামপুর ইউনিয়নের বিবাহ ও তালাক রেজিস্টার খালেদুর রহমান।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে,২০১৯ সালে মণিরামপুরের খালিয়া গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে জিয়াউর রহমান জিয়া কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া চলে যায়। ওই বছরই তার এক বন্ধুর মাধ্যমে যশোর সদরের ভেকুটিয়া গ্রামের কাদের মোল্যার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার রিয়ার সাথে মোবাইলে পরিচয়া হয়। দীর্ঘদিন কথা বলতে বলতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় রিয়া। অপর আসামিদের সহযোগীতায় রিয়া একটি ভুয়া বিয়ের সনদপত্র তৈরী করে জিয়ার কাছে পাঠায়। এরমধ্যে রিয়া নানা অজুহাতে জিয়ার কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংক বিকাশের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। রিয়া ফোনে জিয়ার সাথে কথাবার্তা কমিয়ে দেয়। একপর্যায়ে রিয়া অপর আসামিদের সহযোগীতায় অন্যাত্র বিয়ে করেছে বলে জানতে পারে জিয়া। এরপর জিয়া বিষয়টি তার আত্মীয়-স্বজনেদের জানায়। জিয়ার স্বজনেরা রিয়ার সন্ধান পেয়ে তাকে দেয়া ১৫ লাখ টাকা ফেরত চাইলে না দিয়ে ঘোরাতে থাকে। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।
