১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

স্টয়নিসের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ওমানকে হারালো অস্ট্রেলিয়া

প্রতিদিনের ডেস্ক॥
ওমানের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু রান করতে বেশ বেগ পেতে হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। শেষ পর্যন্ত ওয়ার্নার-স্টয়নিসের ফিফটির বদৌলতে লড়াকু পুঁজি পায় মিচেল মার্শের দল। ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা করে ১৬৪ রান। ১৬৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শক্তিমত্তায় যোজন যোজন এগিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পেরে ওঠেনি ওমানের ক্রিকেটাররা। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানে থামে ওমান। ফলে ৩৯ রানের জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ২০২১ আসরের চ্যাম্পিয়নরা।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ছয়টায় ব্রিজটাউনের কেনিংসটন ওভালে টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রন জানান ওমানের অধিনায়ক ইলিয়াস। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলেন দুই অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্রাভিস হেড। আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে গিয়েই ১২ রানে ফিরে যান ট্রাভিস হেড। এরপর মিচেল মার্শ ও ওয়ার্নার মিলে দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দারুণ চেপে ধরেছিলেন ওমানের বোলাররা।
অস্ট্রেলিয়ার দলীয় ৫০ রানের ঘর পার হতে বল খেলতে হয় ৪৮টি। দলীয় পঞ্চাশ পার হবার পরই ২১ বলে ১৪ রানের টেস্টসুলভ ইনিংস খেলে বিদায় নেন মিচেল মার্শ। মার্শের বিদায়ের পর কোনো রান না করেই বিদায় নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। একপ্রান্তে তখন ওয়ানডে স্টাইলে খেলছিলেন ওয়ার্নার। এরপর ওয়ার্নারের সঙ্গে এসে জুটিও বাঁধেন মার্কাস স্টয়নিস। দুইজন মিলে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। ওয়ার্নার ধীরেসুস্থে খেলে একপ্রান্তে সঙ্গ দিচ্ছিলেন, স্টয়নিস ঠিক তার বিপরীত। একের পর এক বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারিতে মাতিয়ে তোলেন গ্যালারি। দুইজন মিলে দলীয় একশ পার করেন।
মারকাটারি ব্যাটিং চালিয়ে ২৭ বলে ফিফটি তুলে নেন স্টয়নিস। ওয়ার্নারও ফিফটি করেন ৪৬ বলে। ১৮.৩ ওভারে অস্ট্রেলিয়া পার হয় দেড়শ রানের ঘর। চতুর্থ উইকেটে ওয়ার্নার-স্টয়নিস মিলে গড়েন ১০০ রানের জুটি, বল খেলেন ৬২টি। ওয়ার্নার ৫৬ রান করে বিদায় নিলে ভাঙে জুটি। এরপর ক্রিজে এসে ৪ বলে ৯ রানের ছোট্ট ক্যামিও খেলেন টিম ডেভিড। তাতেই সম্মানজনক পুঁজি পায় অস্ট্রেলিয়া। স্টয়নিস অপরাজিত থাকেন ৩৬ বলে ২ চার ও ৬ ছক্কায় ৬৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ওমানের। দলীয় ৬ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় দলটি। স্টার্কের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন প্রতীক আথাভালে। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। এরপর কাশ্যপ প্রজাপতিকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন অধিনায়ক আকিব ইলিয়াস। এই জুটিতে যোগ হয় ১৭ রান। দলীয় ২৩ রানের মাথায় প্রজাপতির বিদায়ে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ওমান। সাজঘরে ফেরার আগে ১৬ বলে মাত্র ৭ রান করেন প্রজাপতি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানে থামে ওমান। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন আয়ান খান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন মার্কাস স্টোয়নিস।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়