৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

অশান্ত হয়ে উঠেছে সীমান্ত জনপদ শার্শা মুহূর্মুহু বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি

আনিছুর রহমান, বেনাপোল
যশোরের সীমান্ত জনপদ শার্শা অশান্ত হয়ে উঠেছে। একের পর এক খুনোখুনি, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি ও লুটপাটের ঘটনা জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ৬ জুন উপজেলার গাজীপাড়ায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের ককটেল হামলায় কবির হোসেন (৪০) নামে একজন আহত হন। মাত্র ৪দিনের ব্যবধানে উপজেলার নিজামপুর গ্রামের সাত সকালে মুহূর্মুহু বোমা বিস্ফোরণে মানুষ ঘুম থেকে উঠে এদিক-ওদিক ছুটোছুটি করেন। এর একদিন আগে ৫ জুন দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান সবুজ হোসেন (২২) নামের এক যুবক। তিনি উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। নিহতের সঙ্গী একই গ্রামের আহম্মেদ আলির ছেলে রাজু আহম্মেদ (২১) ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হন। তাকে যশোর সদর হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়রা জানান-আজ ১০ জুন উপজেলার নিজামপুর বাজারে সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস ছড়িয়ে দেয় একদল চিহিৃত দুর্বৃত্ত। স্থানীয়দের মতে, অন্তত ১৪ থেকে ১৫টি বোমা বিস্ফোরিত হয়, যার ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বোমার বিকট শব্দে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে দিকবিদিক ছুটাছুটি করতে থাকেন। বিষয়টি দ্রুত পুলিশকে জানানো হয়। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের একাধিক টিম। তারা বিস্ফোরিত বোমার আলামত সংগ্রহ করেছে, যা পরবর্তী তদন্তের জন্য ব্যবহার করা হবে। শার্শা থানার ওসি মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানান, সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে নিজামপুর বাজারে ১৪-১৫টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং কারা ও কেন এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। স্থানীয়রা বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন, কারণ এমন ঘটনা এলাকায় নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করেছে। পুরো এলাকার মানুষ এখন আতঙ্কিত। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কায় তারা উদ্বিগ্ন।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়