৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

ব্যঙ্গাত্মক দল সিজেপি ও বিপিআইয়ের উত্থান

প্রতিদিনের ডেস্ক
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অনলাইন অঙ্গনে দুটি আন্দোলন ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে তরুণ প্রজন্মের ভেতরে। এসময় গড়ে ওঠে অনলাইনভিত্তিক ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এবং ‘বি পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (বিপিআই)। সোশ্যাল প্লাটফর্মে দলগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। দলগুলো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সংগঠন না হলেও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তরুণরা এখানে নিজেদের হতাশা, আকাঙ্ক্ষা এবং ডিজিটাল যুগের রাজনীতিকে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে তুলে ধরছে। অনলাইনভিত্তিক দল ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ একটি ভাইরাল ইস্যুকে ব্যঙ্গাত্মক ভাবে উপস্থাপন করে জাতীয় মনোযোগ আকর্ষণ করে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এটি কয়েক দিনের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। পরে ভারতে সিজেপি এক্স অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দাবি করেন, আন্দোলনটির ওয়েবসাইট ও অ্যাকাউন্টগুলোতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বেকারত্ব, বৈষম্য এবং সাধারণ নাগরিকদের প্রতি অবজ্ঞার বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ প্রতিবাদ হিসেবে দেখছেন সিজেপি সমর্থকরা । অন্যদিকে, সমালোচকরা এর অনলাইন সমর্থন ভিত্তি এবং একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে এর গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে সিজেপির মতাদর্শকে প্রতিবাদী ব্যঙ্গ হিসেবে বোঝা যেতে পারে। এটি ‘তেলাপোকা’র চিত্রকে দুর্বলতা হিসেবে নয়, বরং এটিকে টিকে থাকার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে। এর বিপরীতে, ‘বি পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ দলটি সমালোচনাকে রুপকভাবে উপস্থাপন করে। সিজেপি যদি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষোভের প্রতিনিধিত্ব করে, তবে বিপিআই প্রতিনিধিত্ব করে সংগঠিত হওয়ার মন্ত্র।
এর মূল ধারণাটি হলো, সমাজ তখনই এগিয়ে যেতে পারে যখন প্রত্যেক ব্যক্তি অবদান রাখে, ঠিক যেমন মৌমাছিরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের চেয়ে অনেক বড় কিছু গড়ে তোলে। বিপিআই-এর দৃষ্টিভঙ্গি বাম বা ডান নয়, বরং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এটি রাজনীতিকে স্থায়ী সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা হিসেবে কল্পনা করে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়