৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

টাইম ম্যাগাজিনে নাম: প্রধানমন্ত্রী জাতিকেও সম্মানিত করেছেন

প্রতিদিনের ডেস্ক:
টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে তারেক রহমানের নাম থাকায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনে প্রধানমন্ত্রীর নাম থাকায় শুধু তিনি সম্মানিত হননি তিনি জাতিকেও সম্মানিত করেছেন বলে অধিবেশনে জানানো হয়।বৃহস্পতিবার( ১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করে সংসদকে অবহিত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।চিপ হুইপ বলেন, টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে আমাদের নেতা আজকের সংসদ নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের নাম আছে এবং তিনি সম্মানিত হয়েছেন।তিনি সম্মানিত মানে দেশকে সম্মানিত করা, তিনি এই জাতিকে সম্মানিত করেছেন। আমি তার জন্য আমার তরফ থেকে সংসদের তরফ থেকে তাকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি, ধন্যবাদ জানাচ্ছি।সংসদ নেতা তিনি যেসব কাজ করেছেন একসময় উনি ছিলেন নির্বাসিত ১৭ বছর। দেশের বাইরে ছিলেন ১৭ বছর।১৭ বছর পরে দেশে আসলেন আসার পরে মানুষের মধ্যে এরকম আশা লাগিয়েছেন যে আশায় অনুপ্রাণিত হয়ে সারা দেশের মানুষ তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে এই সংসদে পাঠিয়েছে। তার কাছে অনেক প্রত্যাশা এই দেশের মানুষের।তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন তার ইশতেহারে যে তিনি বিভিন্ন কাজ করবেন। আঙ্গুলের কালি শুকবার আগেই তিনি তার বাস্তবায়ন শুরু করেছেন এবং তার মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড অন্যতম যা মহিলারা পাবেন এদেশের এবং তারা পেয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন এবং দেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হবে। তিনি ফার্মারস কার্ডের উদ্বোধন করেছেন কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন এই পহেলা বৈশাখ। এটা অত্যন্ত একটা। বিপ্লব এবং যুগান্তকারী ঘটনা বাংলাদেশের জন্য। তিনি আমাদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য ভাতা দিয়েছেন এবং বিভিন্ন ধর্মের পুরোহিতগণের জন্য তিনি সম্মানের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি প্রথম কেবিনেট বৈঠকের প্রথম মিটিংয়ে এই প্রথম সিদ্ধান্ত ছিল ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণের সুদ মওকুফ করে ঋণ সহ এই জাতীয় কাজ তিনি করেছেন। আজকে বাংলাদেশের মানুষ তাকে স্বীকৃতি দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে। বিশ্ব তাকে স্বীকৃতি দিয়ে আজকে টাইম ম্যাগাজিনে স্থান করে দিয়েছে। আমি আমার তরফ থেকে এবং সংসদের তরফকে দেশবাসীকে অবহিত করে সকলের তরফ থেকে আমি তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এই কথা বলে আমি একটি ছোট্ট কবিতা পড়ে তার উদ্দেশ্যে আমি শেষ করতে চাই। আমার কবিতাটি হল এখন কাইন্ডলি শুনবেন আপনারা, ‘তিনি আসার আগে দেশটা যেন ভাঁজ করা মানচিত্র ছিল। নদী ছিল, মানুষ ছিল, স্বপ্নও ছিল। কিন্তু দিগন্ত খুলে দেওয়ার মত কোন হাত ছিল না। তিনি এলেন বললেন খুবই কম কথা, সময়ের কপালে লিখে দিলেন একটি উজ্জ্বল উচ্চারণ বললেন, উই হ্যাভ এ প্ল্যান তার দৃঢ়তা ছিল পাহাড়ের মত কিন্তু হৃদয় শিশির ভেজা ঘাসের মত, বিশ্বের বড় বড় দরজায় তিনি করা নাড়েননি, নিজের আলোয় দাঁড়িয়েছিলেন দরজাগুলো নিজেই খুলে গেছে, এখন দূর থেকে দূর দেশেও আকাশেও আমাদের পতাকার রং দেখা যায়, বিদেশী বাতাসেও শোনা যায় এই মাটির নাম, এই দেশের নাম বাংলাদেশের নাম। নেতৃত্ববাণী শুধু সামনে হাঁটা নয় নেতৃত্ববাণী অসংখ্য ক্লান্ত মানুষের চোখে স্বপ্ন জাগিয়ে তোলা, আশা জাগিয়ে তোলা’।এর পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, এই অর্জন আমাদের গোটা জাতি তথা দেশের অর্জন ৷

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়